Jebar Pele Esechilo by Biswadip Chakraborty
₹180.00₹250.00 (-28%)
কিন্তু এই লোকটাকে আগেও দেখেছে পিয়েরে, প্রায় রোজই দেখে। দেখে গা পিত্তি জ্বলে যায় তার। ইস্ট ইন্ডিয়ার থেকে আসে এরা। মুখটা দেখো? যদিও এটে পিয়েরে ২০১৩ নাগাদ চেন্নাইবাসী বিশ্বদীপের সঙ্গে আমার আলাপ। সেই সময় ওর খোঁজ গল্পটি পড়ে অবাকি হয়েছিলাম। এমন গল্প তো সচরাচর পড়া হয় না। মা বাবা কন্যা, তিঞ্জন প্রথিবীর তিন শহরে। পরবাসী সদ্য বড় হওয়া কন্যাকে নিয়ে যে উদ্বেগ, তাই ছিল গল্পের বিষয়। দূর নিউ ইয়র্কের হাইওয়েতে জিতেনের কন্যা রিন হারিয়ে গেছে প্রথম ডেটিং করতে গিয়ে। তার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে জিতেন এবং মেঘ্নার। সাঙ্ঘাই এবং দিল্লির সঙ্গে নিউ ইয়র্কের। ঋণের মোবাইল বন্ধ। নিউ ইয়র্কে রাত বারোটা। কিছু আগে জিতেনের সঙ্গে কথা হয়েছিল, তখন মেয়ে ছিল কোনো রেস্তোরাঁয়। বাজনার শব্দ পেয়েছিল জিতেন। এখন এশিয়া মহাদেশের দ্বিপ্রহরের সঙ্গে পশ্চিমের মধ্য রাতের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। জিতেনের চিনা সহকর্মী জেরী গুগুল ম্যাপ খুলে বসেছে। একজন মেধাবী লেখক টেকনোলজি এবং মানুষের হৃদয়, উদ্বেগ দুই বিপরীত অনুষঙ্গকে মিলিয়ে দিয়েছিলেন এই গল্পে।
বিশ্বদীপ চক্রবর্তী ভবিষ্যতে আমাদের ভাষার অহংকার হয়ে উঠতে পারেন, এই বই তার সূচনা মাত্র।
পেশায় ইঞ্জিনিয়ার, থাকেন মিশিগান। গল্প লেখেন। দুটি গল্পগ্রন্থ – ‘যেবার পেলে এসেছিল’ এবং ‘বাবালি বাবালি বাবালি’। প্রথম উপন্যাস ‘ছায়াপাখি’ ধারাবাহিক হিসাবে প্রকাশিত হচ্ছে চার নাম্বার প্ল্যাটফর্ম ওয়েবজিনে। মঞ্চসফল দুটি নাটক লিখেছেন ‘রণাঙ্গন’ এবং ‘ঘুঘুডাঙ্গা’।
সম্পাদক ও সাহিত্য সংগঠক। শুরু করেছিলেন ‘কথামালা’ প্রবাসী বাঙালি সাহিত্যিকদের নিয়ে সম্মেলন। রুট৬৬-এর সঙ্গে জড়িয়ে আছেন শুরুর থেকে। সেরাগল্প নামে বাংলা গল্পের আলোচনার ওয়েবসাইট পরিচালনা করেন। ‘The Antonym’ ইংরাজি পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলীতে আছেন।






